দৃষ্টিভঙ্গি
দৃষ্টিভঙ্গির ওপরই নির্ভর করে সাফল্য বা ব্যর্থতা। সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি আপনাকে রক্ষা করবে হোঁচট খাওয়া থেকে। আপনি বেঁচে যাবেন ভুল করা থেকে। মনে থাকবে প্রশান্তি। সহজ স্বতঃস্ফূর্ততায় আপনি এগিয়ে যাবেন সফল জীবনের পথে।
সুযোগের সদ্ব্যবহার করে না এমন মানুষ আর ক’জনইবা আছে। আর যদি মোক্ষম সুযোগ আসে তবে তো কথাই নেই, রাজনৈতিক বক্তাদের মতন জ্বালাময়ী কিছু ভাষণ দিতে পারলে বেশ হয়-তাতে মানুষের বিরক্তি হোক আর না-ই হোক।এই কথা
একবার গিয়েছি এক আত্মীয়ার বাসায়। কথা প্রসঙ্গে ভদ্রমহিলা বললেন তার মেয়ের কথা। কথা তো না, কষ্ট-সংগ্রামের কাহিনী। কী রকম?
বাবা যে আমার কোনো আদর-আহ্লাদকে প্রশ্রয় দেন না তা না। কিন্তু প্রতিবারই তার হাজারটা প্রশ্ন থাকে। ‘খাতা কিনবো ৪০ টাকা দাও’- এ বলে কখনও সাথে সাথে টাকা পাইনি। কীসের খাতা, কী করবো, এত টাকা কেন -এগুলোও তা
গেল বছরের কোন স্মৃতিটা সবচেয়ে বেশি আনন্দ দেয়? কোন সময়টায় মনে হয় যে- নাহ্, দারুণ একটা সময় কেটেছে, বেশ একটা কাজ করেছি? এই ৩৬৫ দিনে আপনার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনা কোনটি?
এক বৃদ্ধ লোক থাকেন গভীর জঙ্গলে। কোনো আত্মীয়-পরিজন নেই, কোনো পিছুটান নেই; একা মানুষ নিজের মনে সাধনা করেন। এর মধ্যে একদিন জঙ্গলে ঝড় উঠলো। ছোট্ট কুঠুরিতে শান্ত মনে বৃদ্ধ ঘুমিয়ে থাকলেন। দীর্ঘ জীবনে বহু
সেদিন ভার্সিটিতে পড়ে এক ছেলের কথা শুনছিলাম: ঢাকায় একা থাকে। বাবা যে হাতখরচ পাঠান তার থেকে খুব বেশি বাঁচেনা বলে দুইটা টিউশনি করে। এরপরও নাকি বন্ধুদের কাছ থেকে ধার করতে হয়। কেন?
প্রতিযোগিতা আর ভোগবাদিতার এ যুগেও কি সম্ভব স্ট্রেসমুক্ত জীবন যাপন করা?











