নবীজী (স.) বলেছেন, সুস্বাস্থ্য স্রষ্টার সবচেয়ে বড় নেয়ামত। আর কয়েকটি ছোট ছোট পদক্ষেপ গ্রহণ করে আমরা অনায়াসে সুস্বাস্থ্যের অধিকার হতে পারে। সুস্বাস্থ্যের কোয়ান্টাম ভিত্তি হচ্ছে ৫টি। এই ৫টি ভিত্তিকে ব্যবহার করে আমরা অনায়াসে জীবনকে সুস্বাস্থ্যের নতুন ছন্দে ছন্দায়িত করতে পারি।
ভালো থাকা
ভালো থাকার নামই সুস্বাস্থ্য। আর এ ভালো থাকা হতে হবে শারীরিক, মানসিক, সামাজিক ও আত্মিক। এজন্যে প্রয়োজন পরিচ্ছন্নতা ও ব্যায়ামসহ শরীরের যথাযথ যত্ন। প্রয়োজন পুষ্টিবিজ্ঞানসম্মত খাবার যা মেদ নয়, বাড়াবে কর্মশক্তি। যা রোগগ্রস্ত না করে ভেতর থেকে ঘটাবে রোগমুক্তি। প্রাকৃতিক পুষ্টি পূরণ করবে দেহের সকল ঘাটতি। গড়ে তুলবে কমনীয় সুঠাম স্বাস্থ্য।
কারণ আপনি মোটা হতে চান না
কোরিয়া যুদ্ধের সময় রণক্ষেত্রে নিহত সৈনিকদের অটোপসি করতে গিয়ে ডাক্তাররা সবিস্ময়ে লক্ষ্য করেন, নিহত তরুণ সৈনিকদের শতকরা ৭০ জনেরই আর্টারি চর্বি জমে প্রায় বন্ধ হয়ে এসেছে (অ্যাডভান্সড স্টেজ অফ অ্যাথেরোসক্লেরোসিস)। অথচ যেসব ব্যাপারকে হৃদরোগের জন্য দায়ী মনে করা হতো- যেমন কম শারীরিক পরিশ্রম, বাধর্ক্য -তা
একটা গল্প শুনেছেন নিশ্চয়ই: এক লোক খুব ঘন ঘন ডাক্তারের কাছে যান বলে এক বন্ধু জানতে চাইলো সমস্যাটা কী। তো সে বলে যে, ‘আরে, ডাক্তারদের খেয়ে-পরে বাঁচতে হবে না!’ বন্ধু জিজ্ঞাসা করলো, তাহলে ওষুধ কিনছে কেন?
গুরুজীর লেখাটা পড়েছেন- হাসুন! প্রাণ খুলে হাসুন?






